ভালুকা (ময়মনসিংহ)প্রতিনিধি :
৯ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে ভালুকা উপজেলায় সজনগাঁও গ্রামে মংলাধাইর বিলের জমির মালিকদের উদ্যোগে বিলের পারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউপি সদস্য বদরুজ্জামান মনির । এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, মোঃ কামরুজ্জান, আলী আকবর মাস্টার,সিরাজ বেপারী, ছফির উদ্দিন ফকির,আব্দুল খালেক মাস্টার, আব্দুস সামাদ শাহ আলম প্রমুখ। জমির মালিক আলী আকবর মাস্টার জানান গত ৮ বছর ধরে ওই বিলের জমিতে ফসল না হওয়ায় পতিত রয়েছে। খাল ভরাট হয়ে গেছে বিলের পানি যাওয়ার রাস্তা নেই। পানি আটকে থাকায় ধান আবাদ করা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে এই বিলের জমির মালিকেরা এক হয়ে বাৎসরিক প্রতি কাঠা সাড়ে তিন হাজার টাকা হিসাবে ১০ বছরের জন্য এম এম এগ্রো এন্ড ফিসারীজের কাছে মৎস্য চাষের জন্য ভাড়া প্রদান করেছেন । আব্দুল খালেক মাস্টার জানান একটি কুচক্রি মহল তাদের ব্যাপারে অহেতুক নানাভাবে অপপ্রচার চালিয়ে মৎস্য চাষে প্রতিবন্ধকতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিলে বাঁধ দিয়ে উজানের বিলগুলোতে জলবন্ধতা সৃষ্টি করা হবে এটা ঠিক নয়। বিলে কোনো বাঁধ দেওয়া হবে না। বিলে নেটের মাধ্যমে বেড়া দিয়ে পানি প্রবাহ সচল রেখে মাছ চাষ করা হবে।
ভাড়া নেওয়া এম এম এগ্রো এন্ড ফিসারীজ এর পরিচালক মাহফুজ আকন্দ বলেন, মংলাধাইর বিলে ২ শতাধিক কৃষকের প্রায় ৩৫০ একর জমি রয়েছে। তারা ২০০ জনের অধিক জমির মালিকের সাথে ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে ১০ বছরের উভয় পক্ষের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট চুক্তিনামা দলিল করে ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ ইং তারিখে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ছেড়েছেন ওই বিলে। কয়েকজন সার্থন্বেষী ব্যাক্তি হিংসাত্বক মনোভাব নিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এম এম এগ্রো এন্ড ফিসারীজ এর ব্যাবসার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। একটি চক্র অহেতুক ভাবে প্রচার করে যাচ্ছে বাঁধ দিয়ে উজানের বিলগুলোতে জলবন্ধতা সৃষ্টি করা হবে বলে। কোনো বাঁধ দেয়া হবেনা। এই বিলে অনেক বেকার লোকজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে ৫৪ জন লোক এই বিলে শ্রমিকের কাজ শুরু করেছেন।