আতিক - কেন্দুয়া নেত্রকোনা প্রতিনিধি।
নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলা ১৩টি ইউনিয়ন ও ০১টি পৌর সভা নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা গঠিত।প্রত্যেকটি ইউনিয়নেই
প্রত্যেক ওয়ার্ডে ০৯জন করে সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হন।
আরও ০৩ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নিবার্চিত হন।
মূলত প্রধান থাকেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। সম্প্রতি কেন্দুয়া উপজেলা নওপাড়া ইউনিয়নে ০২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য মোঃ নিসকাম উদ্দিন সংগে কথা হয় প্রতিবেদকের।প্রসঙ্গক্রমে জানতে চাওয়া হয়। তার দায়িত্ব সম্মদ্ধে প্রায় দের বছর অতিবাহিত হয়ে গেল দায়িত্বে থাকায় কি রকম কাজ করেছেন সাধারণ জনগনের জন্য। তিনি বলেন, অনেক আশা নিয়ে নিবার্চন করে ছিলাম আল্লাহ অশেষ রহমতে তৃতীয় বার নিবার্চিত
হয়েছি।দুইবার অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হও।নিবার্চনে পিছনে তার অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। তবে এই নিয়ে তার কোনো খোব নেই। নিবার্চিত হয়ে দেখেন পরিষদে তেমন কোনো বরাদ্দ নেই। ভিজিবি, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, কার্ড নিধারিত। কোনো কারনে কেউ মৃত্যুবরন করলে বা অতিরিক্ত বরাদ্দ আসলে ০৪-০৫টি কার্ড করার দায়িত্ব মেলে।ওয়ার্ডে উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে তেমন বরাদ্দ না থাকায় কাজের সংখ্যা একেবারেই নগন্য।
প্রায় দের বছরে দায়িত্ব পালনে তার ওয়ার্ডে ০২টি ইউড্রেনের বরাদ্দ পেয়েছি।যা আমি সঠিক ভাবে সম্পর্ন করেছি। আর বিসিবি কার্ড দিতে পেরেছি অর্ধশত জনকে।তিনি বলেন, অনেকেই কার্ড করার ক্ষেএে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন। কিন্তু আমি সেই দিকে কোনো লোভ নেই। নীতি ও সততা আদর্শ বজায় রেখেই নিবার্চনী মেয়াদ পালন করতে চাই। সততা বজায় রাখার শপথ নিয়েই জন প্রতিনিধি হওয়ার সপ্ন দেখেন অনেকই।
কেউ এতে উত্তীর্ণ হন। আবার কেউ এর ধারে কাছেই যান না।নিবার্চিত হয়ে ভুলে যান। নিজের দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা। তবে এর ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। যদিও এদের সংখ্যায় কম। তিনি আরও বলেন আমার দায়িত্ব থাকার অবস্থায়।আমি আমার জনগণের জন্য যতটুকু করতে পারি।সেই ক্ষেএে আমার সহযোগিতা অবশ্য থাকবে।
আমি মোঃ নিসকাম উদ্দিন ০২ নং ওয়ার্ডে দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। উনার পিতা প্রয়াত শহর আলী মাতা প্রয়াত চান বানু তার বয়স(৫৪) বছর।
স্ত্রী ০২ ছেলে ০২ মেয়ে নিয়ে তার সংসার ও ০৩ ভাই ০২ বোনের মধ্যে তিনি সবার আদরে ছোট ভাই। তিনি পেশায় কাঠ ব্যবসায়ী।